শারফিন শাহ্: একজন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী হওয়া আসলে সহজ নয়, সম্ভবও নয়
শারফিন শাহ্: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে অন্যরা যেখানে গাড়ি থেকে নামতেন, তিনি সেখানে নামতেন রিকশা থেকে। শিক্ষকজীবনের পুরোটা সময়জুড়ে তিনি এই মিতাচারে অভ্যস্ত ছিলেন। এমনকি ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবেও ধরে রেখেছেন এই ব্রত। নানা বিষয়ে তিনি লিখেছেন। সমাজকে বিশ্লেষণ করেছেন দ্বান্দ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এই বয়সেও সম্পাদনা করে চলেছেন, নতুন দিগন্ত নামের পত্রিকা। তার ‘আমার পিতার মুখ’ বইটিতে পিতাকে রাষ্ট্রীয় নিরিখে দেখার যে প্রয়াস তা অতুলনীয়। পিতার ধনপতি বন্ধুরা যখন পিতাকে জিজ্ঞেস করেছে, তোমার ছেলের গাড়ি নেই? পিতা হাসিমুখে বলেছে, আছে তো, বিশাল বড় গাড়ি, যে গাড়িতে সবাই চড়ে, পাবলিক বাস। তার ৮০ তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলা একাডেমিতে এক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। দেশের সব গুণীজনেরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুরো হলরুমে তিল ধারণের ঠাঁই ছিলো না। আবেগাপ্লুত হয়ে স্যার বলেছিলেন, পুরো জীবনে শিক্ষকতা করার ফসল হিসেবে আপনাদের এই ভালোবাসাটুকুই আমার সম্পদ। আমি বরাবরই সামাজিক বৈষম্য নিয়ে কথা বলি, এখন মনে হচ্ছে, বৈষম্য দূর করতে ভালোবাসাও জরুরি। তার সুযোগ্য ছাত্র সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রজীবনের পর সহকর্মী হিসেবে স্যা...