অ-এ অঙ্ক আসছে তেড়ে, শতবর্ষের ধাঁধার সমাধানে প্রবাসী বাঙালি
অনলাইন ডেস্ক: তিন সাতে একুশ। লিখলাম এক, হাতে রইল পেন্সিল। কিংবা কম্পিউটারের ইঁদুর। অন্তত এত দিন আমরা তা-ই জানতাম। কিন্তু সংখ্যাপুরুষেরা বলছেন, সব সংখ্যাই সংখ্যা নয়। তিন আর সাত সংখ্যা বটে। কিন্তু খুব সরল। তা দিয়ে খুব বেশি দূর কাজ এগোন যায় না। গণিতবিজ্ঞানীরা সে জন্য নানা ধরনের জটিলতা আবিষ্কার করে বসেছেন! হাজার হাজার বছর আগে মানুষ শূন্যর কথাও ভেবেছিল। শূন্য, অর্থাৎ যার কোনও অস্তিত্বই নেই! সেই শূন্যকেও একটা সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়েছিল। যে কারণে অনেকে বলে থাকেন, শূন্য হল মানুষের সবচেয়ে বিপজ্জনক সৃষ্টি। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সেখানেই থেমে থাকেননি। তাঁরা আবিষ্কার করে ফেলেছেন কল্পিত সংখ্যা— ‘ইমাজিনারি নাম্বার’। শূন্যের মতো এরও অস্তিত্ব নেই। ভূতপ্রেতের মতো এই নম্বরও আমরা কল্পনা করেছি। সেই কল্পিত সংখ্যা যখন অঙ্কে ব্যবহার করা হয়, তা হয়ে যায় জটিল সংখ্যা। ‘কমপ্লেক্স নাম্বার’। জটায়ু থাকলে বলতেন, ‘‘বলেন কী মশাই!’’ এই জটিল সংখ্যার উপর এক প্রবাসী বাঙালির ভাগ্য নির্ভর করছে। সমিত দাশগুপ্ত আমেরিকার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্কের স্যর। কৃতী ছাত্র। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌকাঠ পেরিয়ে এখন অধ্যাপক। ছোটবেলা থেকেই...