প্রীতম আহমেদ : মেধাস্বত্ব ও নকল তত্ত্ব
প্রীতম আহমেদ : ‘সবাই তো সুখি হতে চায়’ এটা সাধারণ চারটি শব্দ। এই শব্দগুলোর কোনো মালিকানা নেই, হয়ও না। কিন্তু যখনই এই শব্দগুলোর সঙ্গে ‘তবু কেউ সুখি হয় কেউ হয় না’ লিখে একটি বাক্য ও গল্প গঠিত হয়, তখনই সেই গল্প সমৃদ্ধ বাক্য গঠনের মেধাস্বত্ব তৈরি হয়। যা গীতিকার জহর মজুমদারের নামেই হবে। ‘প্রিয় নবী মোহাম্মদ’ এই শব্দগুলোরও কোনো মালিকানা নেই। যদি এর পরে বা আগে লেখেন ‘আমার প্রিয় নবী মোহাম্মদ, আমি রাখবো তাহার মান’ তখনই এই ভাবনাটির একটি বক্তব্য প্রদান করে তার মেধাস্বত্ব তৈরি হয়। ওই শব্দটি দিয়ে যতোজনই ভিন্ন ভিন্ন ছন্দে বা গল্পে হামদ ও নাত লিখবেন ততোজনের আলাদা আলাদা মেধাস্বত্ব অধিকার থাকবে। ঠিক তেমনি ‘কৃষ্ণ করলে লীলা’ একটি প্রচলিত প্রবাদ। এর সঙ্গে যদি ‘আমি করলে ঢং’ আর বড় লোকের সবই রাইট হয়, গরিব করলে রং যুক্ত করেন তবে একটি নতুন বাক্য ও গল্প গঠিত হয়। ফলে তারও একটি মেধাস্বত্ব থাকবে। আমাদের দেশের কপিরাইট আইন (২০০০) এর অধ্যায় ৫ এ বর্ণিত ২৫ (১) অংশে স্পষ্ট লেখা আছে, কোনো গান বা সুরের রচয়িতা তার মৃত্যুর ৬০ বছর পর্যন্ত সেই অংশের মালিকানা সংরক্ষণ করেন। ওই ৬০ বছর সময়ের মধ্যে ওই কথার বা সুরের যেকোনো বাণিজ্য...