নিজের তিন কন্যাকেও আন্তর্জাতিক পাচারকারীদের কাছে তুলে দেন সাহিদা
নিউজ ডেস্ক: সন্তানদের প্রতি মা-বাবার ভালোবাসা অকৃত্রিম। সহজাত এক বন্ধনের মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক অটুট থাকে। আমৃত্যু স্নেহের পরশ নিয়ে সন্তানকে আগলে রাখেন মা-বাবা। আবার সন্তানকে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়ার মতো ভয়ংকর নজিরও সামনে আসছে। যার উদাহরণ যশোরের অভয়নগর উপজেলার সাহিদা বেগম ওরফে ম্যাডাম সাহিদা। নিজের তিন মেয়েকে তিনি তুলে দিয়েছেন আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী চক্রের হাতে। তাদের একজন আবার অপ্রাপ্তবয়স্ক। করুণ পরিণতি জেনেও সন্তানদের এ পথে ঠেলে দিতে এতটুকু বুক কাঁপেনি তার। সাহিদার দুই সন্তান এখন রয়েছে বেঙ্গালুরুতে। আরেকজন দেশেই আছে। তদন্ত-সংশ্নিষ্ট একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। র্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্নেল মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম বলেন, প্রথম ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে এক তরুণীকে কয়েকজন যুবক ও এক নারী মিলে প্রচণ্ড মারধর করতে দেখা যায়। সেখানে লাল জামা ও জিন্স পরিহিত এক নারী টিকটক হৃদয় এবং তার কয়েকজন বন্ধুসহ পৈশাচিক ববর্রতা চালায়। নির্যাতনে অংশ নেওয়া লাল পোশাক পরিহিত মেয়েটি সাহিদা বেগমের। সে নারী পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছে। সাহিদা তার মেয়েদের যেভাবে খারাপ পথে নামিয়েছেন...