তুষার আবদুল্লাহ: জাদুকর বাবা!
তুষার আবদুল্লাহ: স্কুলে যাওয়ার পথে যানজট। সিগন্যালে মিনিটের পর মিনিট পার হচ্ছে। স্কুলের গেইট বন্ধ হতে আর বাকি নেই বেশি। কিন্তু লালবাতি সবুজ হচ্ছেই না। মেয়ের মনে হলো, বাবাকে একটা ফোন দিই। বাবা বললেই, সিগন্যাল সবুজ হয়ে যাবে। কোথায় যেন মারামারি ভাঙচুর হয়েছে। স্কুল থেকে বেরিয়ে দেখে রাস্তাঘাট বন্ধ। গাড়ি- রিকশা কিছুই চলছে না। সবকিছু আটকে আছে। কী হয়েছে, কখন আবার পথ ঘাট স্বাভাবিক হবে কেউ বলতে পারছে না কিছুই। মেয়ে ভাবলো, বাবাকে একটা ফোন দিই। বাবা সবকিছু স্বাভাবিক করে দেবে। পরীক্ষা চলে এসেছে। কিন্তু সিলেবাস শেষ হয়নি। পরীক্ষা একটু পিছিয়ে দেওয়া যায় না, কীভাবে সম্ভব? সব সম্ভব হবে, যদি বাবাকে বলা যায়। বাবা একটা হরতাল ডেকে দেবে। রোদে পুড়তে পুড়তে বাড়ি ফেরা। কিন্তু বৈশাখের বিকেলেও মেয়ের আষাঢ়ের মতো ভিজে বাড়ি ফেরার ইচ্ছে হয়। কিন্তু গ্রীষ্মের তাতানো রোদে মেঘ উড়িয়ে আনবে কে? অবশ্যই বাবা। কন্যার কাছে বাবাই সকল ক্ষমতার উৎস। বাবাই জগৎসেরা জাদুকর। কন্যার কথা কেন বলে যাচ্ছি এভাবে, পুত্রও কি এই ভাবনার বাইরে যেতে পেরেছে? মোটেও না। তার মাছ ধরার ইচ্ছে হলো। বড়শী চাই। বড়শী এলো। লেকে ফেলা বড়শীতে তার ইলিশ মাছ চাই। এক...