আদালতের নির্দেশেই ’বুড়িগঙ্গা’ নদী পারের স্থাপনা উচ্ছেদ-দখল
নিউজ ডেস্ক: একদিকে নদী দখল হচ্ছে, অন্যদিকে হাইকোর্ট থেকে দখলমুক্ত করার আদেশ দেওয়া হচ্ছে। এরপর শুরু হচ্ছে- উচ্ছেদ অভিযান। কয়েকদিন অভিযান চলার পর সবাই নীরব। তারপর আবারও দখল শুরু। নদী দখলমুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরেই চলছে কানামাছির মতো এরকম উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা। নদী বিশেষজ্ঞরা ঢাকার চারপাশের নদী উদ্ধার কার্যক্রমকে এভাবেই দেখছেন। তারা বলছেন, লোক দেখানো উচ্ছেদের নামে সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে; কিন্তু নদী তার জায়গা ফিরে পাচ্ছে না। রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীগুলো যেমন- বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা এসব নদীর দুইকূল ঘেঁষে অবৈধভাবে দখল করে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এ কারণে বুড়িগঙ্গা নদী ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে, কমছে প্রশস্ততা। দখলের কারণে তুরাগ ও বালু নদী সরু খালে পরিণত হয়েছে। বুড়িগঙ্গার দুই পাড় দখল করে অনেক স্থানে চলছে ইট-বালুর জমজমাট ব্যবসা। রাজধানীর পোস্তগোলা আর শ্যামপুর এলাকার বুড়িগঙ্গার দু’পাড়ে দখলদাররা বিভিন্ন কায়দায় বিশাল এলাকা দখল করে গড়ে তুলছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। আদি বুড়িগঙ্গার এখন আর অস্তিত্ব নেই। নদী দখল করে কামরাঙ্গীরচর এলাকা গড়ে উঠেছে। ঢাকার হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এল...