[১] শেরপুরে লকডাউনে ২৩৩টি অভিযানে ১৩১টি মামালায়
তপু সরকার: [২] শেরপুরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও সড়কে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান রয়েছে। জেলায় ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সঙ্গে আছে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। হোটেল-রেস্তোরাঁ, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের দোকান ছাড়া শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। [৩] সরকারী নির্দেশনায় লকডাউন বাস্তবায়নে এসব কার্যক্রম তদারকি করতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করছেন জেলা প্রশাসক মোমিনুর রশীদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। [৪] বৃহস্প্রতিবার (১ জুলাই) সকাল থেকে শুক্রবার বিকেল পযর্ন্ত শেরপুরের থানামোড়, খোয়ারপাড়মোড়, বাষ্ট্যান্ড, মুন্সিবাজার রোড়,শহীদ বুল বুল সড়ক, বটতলা, নারায়য়নপুর, নবীনগর মোড়, শেরীঘাট মোড়, কুসুম হাটি বাজার, হাসপাতাল রোড, ট্রাকটার্মিনাল সহ জেলার বেশ কিছু সড়ক ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। [৫] নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের গাড়ি টহল দিচ্ছে সড়কে। আগের দিন প্রশাসনের কড়া অবস্থানের কারণে অনেকেই আজ ঘর থেকে বের হননি। যারা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া বের হয়েছেন তাদে...