[১] শিক্ষা খাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি ছাত্র মৈত্রীর
শরীফ শাওন: [২] সংগঠনের সভাপতি কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল বলেন, শিক্ষাখাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে সরকারের বিনিয়োগ করার কথা থাকলেও প্রতি অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখতে পাই। অতীতে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার সাথে প্রযুক্তিকে জুড়ে দিয়ে অতি চাতুরতার এই খাতে বেশি বরাদ্দ দেখিয়ে আসছে। বিগত ১০ বছরে সরকার এখাতে ১৫ শতাংশ বরাদ্দ অতিক্রম করতে পারেনি। উপরন্তু কমেছে। [৩] শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে তিনি জানান, গত ১০ বছরের বাজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ভগ্নাংশের হিসাবে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ছিল। ওই বছর ১৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে যা ১২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পরের দুই অর্থবছরে যথাক্রমে ছিল ১১ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে তা দশমিক শূন্য এক শতাংশ বেড়ে ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশে এসে দাঁড়ায়। অর্থাৎ বাজেট বড় হওয়ার কারণে টাকার অঙ্কে বরাদ্দ বাড়লে কমেছে শতাংশের হিসাবে। [৪] জুয়েল বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে, কমছে চাকরিতে প্রবেশের বয়সও। করোনা মহামারিতে সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীরা। করোনাকালে শিক্ষাব্যবস্থ...