চরম দু:সংবাদ: সারা দেশে নেমে এলো শোকের কালো ছায়া মারা গেলেন জনপ্রিয় নায়িকা
চরম দু:সংবাদ: সারা দেশে নেমে এলো শোকের কালো ছায়া মারা গেলেন জনপ্রিয় নায়িকা
24updatenews.com@gmail.com (২৪আপডেটনিউজ ডেস্ক)
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আর নেই। শুক্রবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শিল্পী সমিতির সভাপতি শহীদ হাসান মিশা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন অঞ্জনা। জ্বর ও রক্তে ইনফেকশনের কারণে গত ডিসেম্বরের শুরুতে তাকে ...
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে নেমে এসেছে শোকের কালো ছায়া। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অঞ্জনা রহমান আর নেই। শুক্রবার দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। শিল্পী সমিতির সভাপতি শহীদ হাসান মিশা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত এক সপ্তাহ ধরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের সিসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন অঞ্জনা। জ্বর ও রক্তে ইনফেকশনের কারণে গত ডিসেম্বরের শুরুতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে গত ১ জানুয়ারি রাতে তাকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর করা হয় এবং লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। তার ছেলে নিশাত মণি জানিয়েছেন, চিকিৎসকের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
অঞ্জনা রহমানের অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে বাবুল চৌধুরী পরিচালিত ‘সেতু’ চলচ্চিত্র দিয়ে। তবে তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল শামসুদ্দিন টগর পরিচালিত ‘দস্যু বনহুর’, যা রহস্য নির্ভর একটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন সোহেল রানা।
অঞ্জনার ক্যারিয়ার দ্রুতই আলোকিত হয়ে ওঠে। তিনি অভিনয় করেছেন ‘পরিণীতা’ এবং ‘গাঙচিল’ চলচ্চিত্রে, যা তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এনে দেয়। তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি তিন শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন দক্ষ নৃত্যশিল্পী। চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগেই নৃত্যশিল্পী হিসেবে তার যথেষ্ট সুনাম ছিল।
অঞ্জনা রহমান ছিলেন এমন একজন শিল্পী, যিনি রহস্য, রোমান্স এবং পারিবারিক গল্পভিত্তিক চলচ্চিত্রে সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন। ‘দস্যু বনহুর’, ‘গাঙচিল’, এবং ‘পরিণীতা’ তার কর্মজীবনের উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। তার অভিনয় দক্ষতা এবং চিত্রনায়িকা হিসেবে জনপ্রিয়তা তাকে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনে একটি স্থায়ী জায়গা এনে দিয়েছে।
অঞ্জনার মৃত্যুতে বিনোদন জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করছেন। শিল্পী সমিতি থেকে জানানো হয়েছে, তার স্মরণে শিগগিরই শোকসভা আয়োজন করা হবে।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। শান্তিতে ঘুমান অঞ্জনা রহমান।
Comments
Post a Comment