[১] সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়ানোর আশঙ্কা
শিমুল মাহমুদ: [২] চিকিৎসা নিতে গিয়ে ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশিরা দেশে ফিরতে শুরু করেছেন। এ পর্যন্ত সাড়ে ৭শ’ যাত্রী আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছেন। এদের মধ্যে ৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
[৩] গত বুধবার হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারত থেকে নারী, পুরুষ, শিশুসহ ৩৭ জন দেশে ফিরেছেন। আর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই পথ দিয়ে ২১ জন দেশে ফিরেছেন। এসব এলাকার স্থানীয় লোকজন জানান, দেশে ফেরা যাত্রীদের করোনার র্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট ও আরটিপিসিআর টেস্ট করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। এতে করে ওই এলাকায় করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষ।
[৪] চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফেরা ১১ জন বাংলাদেশিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
[৫] স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডিরেক্টর রোবেদ আমীন জানান, ভারত থেকে আসা যাত্রীদের মোট কতজন কোভিড শনাক্ত হয়েছেন এর সঠিক হিসেব নেই। তবে এখন পর্যন্ত মোট ১৪ জনের ভারতীর ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আজও ৪ জন ভারত ফেরত যাত্রীর দেহে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, যেকোনও সময় করোনার পূর্ণ সংক্রমণ শুরু হতে পারে। এজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
[৬] ভারতের এই ডাবল বা ট্রিপল মিউটেন্ট যদি বাংলাদেশে এভাবে ছড়াতে থাকে তবে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সামাল দিতে পারবে কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এখনই তো সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। সেখানে ওটা কী করে সামাল দেবো। আমাদের দেশে যা হবার তা-ই হবে। আমরা কিছু পারিনি, পারবোও না।’ সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব
Comments
Post a Comment