হঠাৎ বউ সাজে চমকে দিলেন দিঘী
গ্রামীণফোনের একটি বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে রাতারাতি আলোচনার প্রাদপ্রদীপে উঠে আসেন ছোট্ট দীঘি। বিজ্ঞাপনে তার মুখে ‘বাবা জানো, আমাদের সেই ময়না পাখিটা না আজ আমার নাম ধরে ডেকেছে’ সংলাপটি ছড়িয়ে পড়ে মানুষের মুখে মুখে। সেই শিশুশিল্পী এখন নায়িকা৷ দীঘির দুইটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তিও পেয়েছে নায়িকা হিসেবে।
সেগুলো হলো ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’। সামনে দীঘির নতুন একটি সিনেমার শুটিংয়ের কথা আছে।
সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিকের শুটিং শেষ করে দেশে ফিরেছেন চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। আর ফিরেই চমকে দিলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বউয়ের সাজে ছবি প্রকাশ করেছেন। সেই ছবি দেখে অনেকেরই প্রশ্ন, দীঘি কি গোপনে বিয়ে করে ফেললেন নাকি? কেউ কেউ আবার নায়িকার এই সাজের প্রশংসাও করেছেন।
তবে বিয়ের মতো কিছু ঘটেনি। দীঘির এই সাজ একটি নামী ফ্যাশন হাউজের ফটোশ্যুটের জন্য। সেই ফটোশ্যুটের অংশ হিসেবে ধূসর, গোলাপীসহ বিভিন্ন রঙের লেহেঙ্গায় একাধিক বার বউ সাজতে হয়েছে দীঘিকে। ক্যারিয়ারে প্রথমবার ব্রাইডাল ফটোশ্যুটে অংশ নিতে পেরে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি।

দীঘি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রথমবার ব্রাইডাল শ্যুট করেছি। অনেক ভালো লেগেছে। ছোটবেলা থেকে দেখেছি নামী দামি তারকারা বিয়ের ফটোশ্যুট করেন। এবার নিজেও সেই সুযোগ পেলাম। ভালো ব্র্যান্ড আর আয়োজন ভালো হলে এখন থেকে মডেলিংয়েও নিয়মিত দেখা যাবে আমাকে।’
২০০৬ সালে কাজী হায়াত পরিচালিত ও প্রয়াত নায়ক মান্না অভিনীত ‘কাবুলিওয়ালা’ ছবিতে শিশুশিল্পী চরিত্রে অভিষেক হয় দীঘির। প্রথম ছবিতেই শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী বিভাগে জেতেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এরপর ২০০৮ সালে ‘১ টাকার বউ’ ও ২০১০ সালে ‘চাচ্চু আমার চাচ্চু’ ছবি দুটির জন্য একই বিভাগে আরও দুটি জাতীয় পুরস্কার পান তিনি।
সেই দীঘি এখন চলচ্চিত্রের নায়িকা। ফেব্রুয়ারিতে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ছবির মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে অভিষেক হয়েছে তার। এরপর মার্চে মুক্তি পেয়েছে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’। কিন্তু নায়িকা দীঘির দুটি ছবিই ফ্লপ। এখন তিনি ব্যস্ত ‘বঙ্গবন্ধু’ বায়োপিক নিয়ে।
Comments
Post a Comment