[১] মিয়ানমার থেকে ৬ হাজার শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে, বলল জাতিসংঘ
রাশিদুল ইসলাম : [২] জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক দফতর জানিয়েছে, মিয়ানমারে জান্তা সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু হবার পর গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ হাজারের বেশি নারী-শিশু এবং পুরুষ নির্বিশেষে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পালিয়েছেন। এদের মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে সেনা অভ্যুত্থানের পর অন্তত ৪ থেকে ৬ হাজার মিয়ানমারের শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
[৩] জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, যেভাবে মিয়ানমারে সেনাদেন নির্যাতন বেড়েছে তাতে বহু মানুষ দেশে ছেড়ে শরণার্থী হয়েছেন প্রতিবেশী দেশগুলিতে। মার্চ-এপ্রিলে ১৭’শর বেশি শরণার্থী প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের কেউ কেউ মিয়ানমারে ফিরেও এসেছেন।
[৪] এক প্রেস বিবৃতিতে ডুজারিক একথা বলেন। ভারতের সঙ্গে মিয়ানমারের ১৬’শ কিমির বেশি দীর্ঘ কাঁটাতারহীন-জনমানবশূন্য সীমান্ত এলাকা রয়েছে। তার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরও রয়েছে। চারটি উত্তর-পূর্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং মিজোরামের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে মিয়ানমারের।
[৫] মিয়ানমারে জাতিসংঘের প্রতিনিধি দল সমস্ত প্রতিবেশী দেশগুলিকে নিপীড়িত শরণার্থীদের আশ্রয় এবং সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। একইসঙ্গে মিয়ানমার সেনার কাছে হিংসা-হানাহানি বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিয়েছে। নিরীহ মানুষের উপর গুলির ব্যবহার বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছে। দুজারিকের কথায়, জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা মিয়ানমারে ঘরছাড়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন। সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে সন্ত্রাস বেড়ে যাওয়ায় দেশটি ছাড়ছে মানুষ।
[৬] জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমূর্তি টুইটে জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সংগঠন আশিয়ানের প্রস্তাবনার সঙ্গে একমত ভারত। ভারত মিয়ানমারে রাজনীতিবিদদের মুক্তি এবং শান্তির পক্ষে নয়াদিল্লির অবস্থান বদলায়নি।
Comments
Post a Comment