জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি কাজে লাগানোর আহ্বান

শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদরদপ্তরের সাধারণ পরিষদ হলে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটির ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের ফোরামের সাধারণ আলোচনায় ভাষণ প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
উচ্চ পর্যায়ের এই ইভেন্টটি আয়োজন করেন ৭৩তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিজ্ মারিয়া ফার্নান্দে এস্পিনোসা গার্সেজ।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি জাতিসংঘে উত্থাপন করেন এবং ঐ বছরই সাধারণ পরিষদ তা এজেন্ডা হিসেবে গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্তভাবে এটি (রেজুলেশন ৫৩/২৪৩) গৃহীত হয়। ভাবতে ভালো লাগে আজ আমরা যখন এই রেজুলেশনটির ২০ বছর পূর্তি উদযাপন করছি, এমন সময়েও তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশকে শান্তি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার নেতৃত্ব দিচ্ছেন যা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।’
রাষ্ট্রদূত মাসুদ বলেন, ‘আমরা আনন্দিত যে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ আজ প্রণিধানযোগ্য একটি ধারণা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে এবং এর সুর জাতিসংঘের বৃহত্তর পরিসরে অনুরণিত হচ্ছে। আর এটি লক্ষনীয় যে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এর আওতায় বেশ কয়েকটি নতুন রেজুলেশন গৃহীত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এজেন্ডা ২০৩০ এবং তৎপরবর্তী সময়ে আমরা আরও কীভাবে এই ধারণাটিকে কাজে লাগাতে পারি তা আমাদের ভেবে দেখতে হবে এবং এবিষয়ে সকলকে আরও এগিয়ে আসতে হবে যাতে কোনোভাবে শান্তির সংস্কৃতি ধারণাটি হারিয়ে না যায়।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি মিজ্ মারিয়া ফার্নান্দে এস্পিনোসা গার্সেজ উচ্চ পর্যায়ের এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং এতে উদ্বোধনী ভাষণ দেন।
অনুষ্ঠানটিতে অব্যাহত শান্তির প্রতি একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মিজ্ লেইমা জিবোয়ি এবং কি-নোট বক্তব্য প্রদান করেন ঘানার আসান্তি জনগোষ্ঠীর রাজা ওতুম্ফুও ওসেই টুটু-২।

বিকালে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে এ উপলক্ষে একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটির সমাপনী বক্তব্যও প্রদান করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি।
The post জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ধারণাটি কাজে লাগানোর আহ্বান appeared first on Zoom Bangla News.
Comments
Post a Comment