Smiley face

রাজশাহীতে অর্থের বিনিময়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে ঘুরে এমন অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া যায়। হতদরিদ্রদের জন্য নেয়া এই প্রকল্পে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় এক খণ্ড জমি আছে এমন হতদরিদ্র মানুষদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীর বাগমারা, মোহনপুর, পবাসহ ৯টি উপজেলায় ২ হাজার ১৭১টি ঘর নির্মাণ করা হয়।

এক লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রতিটি ঘরের তালিকা করে পর্যায়ক্রমে তা বিতরণ করা হয়। তবে প্রভাবশালী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিকট আত্মীয় ও অর্থের বিনিময়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের এই ঘর পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাসের পর মাস ঘরগুলো ফাঁকা, কেউ গুদামঘর, কেউ আবার তালাবদ্ধ অবস্থায় ফেলে রেখেছেন। এ অবস্থায় ক্ষুব্ধ গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত অসহায় মানুষেরা।

কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, আমরা ঘর পায়নি। যারা রাজনীতির সাথে জড়িত, তাদেরকে বাচাই করে ঘর দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে যারা টাকা দিয়েছে তারাই ঘর পেয়েছে।

অবশ্য এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও নানা টালবাহানা প্রভাবশালী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কণ্ঠে।

দূর্গাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, এটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার করেছেন। এখানে উপজেলা চেয়ারম্যানদের সম্পৃক্ততা নেই।

তবে এই প্রকল্পে কোন অনিয়মের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান রাজশাহীর জেলা প্রশাসক এস এম আব্দুল কাদের বলেন, কেউ স্বজনপ্রীতি করেছেন। অথবা যাদের ঘর বাড়ি আছে তাদেরকে যদি করে দেওয়া হয়, তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাগমারায় ৩৬৬টি, পবায় ২৫০, পুঠিয়া ৩০ ৫টি, চারঘাটে ৪৮টি, দূর্গাপুরে ১২৬টি, বাঘায় ৪’শ ৮টি, তানোরে ১২৭টি, মোহনপুরে ৪৯৪টি ও গোদাগাড়িতে ৮টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

Smiley face

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here