এই পানীয় পান করলেই সমস্যা দুর হয়ে যাবে !কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন?
কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? এই পানীয় পান করলেই সমস্যা দুর হয়ে যাবে !
অতিরিক্ত খাওয়া, পানি কম পান করা, ভাজাপোড়া খাবার বেশি খাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। বেশি বেশি শাকসবজি ও ফলমূল খেলে দূরে থাকতে পারবেন কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে। পাশাপাশি পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণে পানি।
অতিরিক্ত খাওয়া, পানি কম পান করা, ভাজাপোড়া খাবার বেশি খাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে। বেশি বেশি শাকসবজি ও ফলমূল খেলে দূরে থাকতে পারবেন কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে। পাশাপাশি পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণে পানি।
কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে ঘরে তৈরি একটি পানীয় নিয়মিত পান করলেও উপকার পাবেন। আপেল সিডার ভিনেগার ও মধু দিয়ে তৈরি এ পানীয়ের কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। আপেল সিডার ভিনেগারে রয়েছে এমন একটি ব্যাকটেরিয়া যা শরীরের জন্য উপকারী। এটি খাবার হজম করে দ্রুত ও দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্য। মধুও খাবার হজমে সাহায্য করে। তবে মধু ও ভিনেগার অপরিশোধিত হতে হবে অবশ্যই।
জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন পানীয়-
জেনে নিন কীভাবে তৈরি করবেন পানীয়-
১। এক গ্লাস কুসুম গরম পানি নিন।
২। ২ টেবিল চামচ অপরিশোধিত আপেল সিডার ভিনেগার মেশান গ্লাসে।
৩। ২ চা চামচ অপরিশোধিত মধু মেশান।
৪। ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন মধু।
৫। প্রতিদিন সকালে অথবা দিনের যেকোনও সময় পান করুন পানীয়।
২। ২ টেবিল চামচ অপরিশোধিত আপেল সিডার ভিনেগার মেশান গ্লাসে।
৩। ২ চা চামচ অপরিশোধিত মধু মেশান।
৪। ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন মধু।
৫। প্রতিদিন সকালে অথবা দিনের যেকোনও সময় পান করুন পানীয়।
Read also:
কুনি নখের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়
পায়ের নখে ফাংগাসের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। ধুলোবালির সাথে কাদা নখের কোণায় ঢুকে গিয়ে জমে থাকে। তারপর সেখানেই জন্ম নেয় নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া। যা থেকে নখের কোণায় তৈরি হয় পুঁজ, ফুলে লাল হয়ে যায়। আর সেইসাথে যন্ত্রণা তো আছেই।
অনেকে একে কুনি নখও বলে থাকেন।
পায়ের নখে ফাংগাসের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। ধুলোবালির সাথে কাদা নখের কোণায় ঢুকে গিয়ে জমে থাকে। তারপর সেখানেই জন্ম নেয় নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া। যা থেকে নখের কোণায় তৈরি হয় পুঁজ, ফুলে লাল হয়ে যায়। আর সেইসাথে যন্ত্রণা তো আছেই।
অনেকে একে কুনি নখও বলে থাকেন।
এ সময় নখের রঙ হলদেটে হয়ে দেখতে বিশ্রী লাগে। তবে তিনটি সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন সেগুলো-
হলুদ : কয়েক টুকরো কাঁচা হলুদ কেটে নিয়ে অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে দিয়ে ফোটান। এবার এক টেবিল চামচ হলুদের সাথে তেল ও তিন টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ দিনে তিনবার আক্রান্ত জায়গায় লাগান। মনে রাখবেন, হলুদ খুব ভালো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান।
বেকিং সোডা : হাল্কা গরম পানি বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই পেস্টটি আক্রান্ত নখের উপর লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। দিনে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। বেকিং সোডার অ্যাল্কালাইন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।
ভিক্স : সর্দি, মাথাব্যথায় ভীষণ ব্যবহৃত এ মলমটি সহজে ফাংগাস তাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায়। দিনে দুইবার আক্রান্ত নখে ভিক্স লাগান। এরপর সেই নখে গজ দিয়ে একটি ব্যান্ডেজ করে রাখতে পারেন।
Read Also………
ডাক্তাররা বাকরুদ্ধ !! রান্নাঘরের দুইটি উপাদানের তৈরী জুসে ৭ দিনে ৩ কেজি ওজন কমবে
জন কমাতে মরিয়া হয়ে ওঠা অনেকেই সারা দিন না খেয়ে কিংবা আধপেটা খেয়ে পড়ে থাকেন। শরীরে আলস্য এসে ভর করে এমনিতেই। কাজের গতি নেমে যায় অর্ধেকে। শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ওজন কমানোর এই চেষ্টায় নিজের অজান্তে ত্বক ও চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়। তাই এবার ফল দিয়েই ডায়েট হোক। ফল শরীরের ত্বক, চুলের সৌন্দর্য ঠিক রেখ সহজেই ওজন কমিয়ে ফেলতে পারে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, ’এখন বাজার ভরা ফলে। শক্তি আর পুষ্টির অসাধারণ উৎস। এই ফল দিয়েই যদি ডায়েট করা যায়, তাহলে সহজে ওজন কমবে, শরীরও সুস্থ থাকবে। রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়াকে সচল রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দৃঢ় করে, পরিপাকতন্ত্রকে কর্মক্ষম রাখে। ত্বক আর চুলের উজ্জ্বলতাও বাড়ায়।’ প্রাকৃতিকভাবে ওজন ঝরাতে চাইলে ফল ডায়েট করতে পারেন। বেশি পরিমাণে শর্করা আছে, এমন ফলগুলোর মধ্যে আছে আম, কলা, পাম, নাশপতি, আনারস, আঙুর, ডুমুর ইত্যাদি। এ ফলগুলো খেতে পারেন সকালের খাবারে। এগুলো সারা দিনের কাজের শক্তি জোগাবে এবং দীর্ঘ রাত ঘুমিয়ে থাকার পর শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে যেটুকু চিনির দরকার, সেই শক্তিও আসবে এ ফল থেকে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়ও দেখা গেছে, যাঁরা প্রতিদিন আঙুর খান, তাঁদের ওজন কমার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় ঢের বেশি।
ডাক্তাররা বাকরুদ্ধ !! রান্নাঘরের দুইটি উপাদানের তৈরী জুসে ৭ দিনে ৩ কেজি ওজন কমবে
জন কমাতে মরিয়া হয়ে ওঠা অনেকেই সারা দিন না খেয়ে কিংবা আধপেটা খেয়ে পড়ে থাকেন। শরীরে আলস্য এসে ভর করে এমনিতেই। কাজের গতি নেমে যায় অর্ধেকে। শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ওজন কমানোর এই চেষ্টায় নিজের অজান্তে ত্বক ও চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়। তাই এবার ফল দিয়েই ডায়েট হোক। ফল শরীরের ত্বক, চুলের সৌন্দর্য ঠিক রেখ সহজেই ওজন কমিয়ে ফেলতে পারে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, ’এখন বাজার ভরা ফলে। শক্তি আর পুষ্টির অসাধারণ উৎস। এই ফল দিয়েই যদি ডায়েট করা যায়, তাহলে সহজে ওজন কমবে, শরীরও সুস্থ থাকবে। রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়াকে সচল রাখে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দৃঢ় করে, পরিপাকতন্ত্রকে কর্মক্ষম রাখে। ত্বক আর চুলের উজ্জ্বলতাও বাড়ায়।’ প্রাকৃতিকভাবে ওজন ঝরাতে চাইলে ফল ডায়েট করতে পারেন। বেশি পরিমাণে শর্করা আছে, এমন ফলগুলোর মধ্যে আছে আম, কলা, পাম, নাশপতি, আনারস, আঙুর, ডুমুর ইত্যাদি। এ ফলগুলো খেতে পারেন সকালের খাবারে। এগুলো সারা দিনের কাজের শক্তি জোগাবে এবং দীর্ঘ রাত ঘুমিয়ে থাকার পর শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে যেটুকু চিনির দরকার, সেই শক্তিও আসবে এ ফল থেকে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়ও দেখা গেছে, যাঁরা প্রতিদিন আঙুর খান, তাঁদের ওজন কমার প্রবণতা অন্যদের তুলনায় ঢের বেশি।
কম শর্করাযুক্ত ফলের মধ্যে আছে তরমুজ, আপেল, পেঁপে—এই ফলগুলো। এ ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণ পানি—শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। এ ফলগুলো গরমের জন্য খুব উপকারী। এমনকি হৃদ্স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যেমন ভূমিকা রাখে, তেমনি স্নায়ুতন্ত্র সজাগ রাখে। তাই কম শর্করাযুক্ত ফল খান, চর্বি ঝরবে, ওজনও কমবে। টকজাতীয় ফলে কার্বোহাইড্রেট থাকে অতি অল্প। এই ফলগুলোর মধ্যে লেবু, ব্ল্যাকবেরি, ক্রানবেরি, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি উল্লেখযোগ্য। এগুলো হজম-প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন এবং বর্জ্য বের করে দিতে সহায়তা করে। বছরজুড়েই লেবু পাওয়া যায়। দামেও সস্তা। তাই প্রতিদিন লেবু খান, লেবুতে থাকা উপাদান খাবার দ্রুত হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে চর্বি খরচ করতে সক্ষম। তরমজু, বাঙ্গি, ক্যান্টালোপ—এই ফলগুলোতে পানি বেশি থাকে। আর কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ থাকে অতি অল্প। খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই খানিকটা শক্তি তৈরি হয়। অন্যদিকে হজম-প্রক্রিয়া দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। খেতে পারেন ডাব। ডাবের পানিতে থাকা উপাদানগুলো যকৃতের মেটাবলিজমকে প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া ডাবের পানি খেলে পেট ভরে থাকে। অন্য কিছু খাওয়ায় নতুন করে রুচিও হয় না। এ ছাড়া খেজুরের মতো শুকনো ফলও খেতে পারেন। এগুলো ভিটামিন ও খনিজে পূর্ণ। তাজা ফলের সঙ্গে শুকনো ফলও শরীরের ওজন কমাতে বিশেষ কার্যকর।
যে ৭টি কঠিন রোগের সমাধান মিলবে কিশমিশ খেলে- আমাদের মধ্যে ধারণা রয়েছে কিশমিশ খেলে নাকি দাঁতের ক্ষতি হয়। এটি মোটেও ঠিক নয়, এই ধারণা একেবারে ভুল। কিশমিশ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কঠিন রোগের সমাধান মিলবে কিশমিশ খেলে! প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করলে আপনি নানা ধরণের শারীরিক সমস্যা হতে মুক্তি পেতে পারেন। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে কিশমিশ খাওয়া চলবে না। কী কী উপকার হতে পারে এই কিশমিশে? জেনে নিন:
১. অনেকেই ভেবে থাকেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে সেই ধারণা একেবারে মিথ্যা। কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যেটি মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধেও কাজ করে।
১. অনেকেই ভেবে থাকেন কিশমিশে চিনি রয়েছে যা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তবে সেই ধারণা একেবারে মিথ্যা। কিশমিশে রয়েছে ওলিনোলিক অ্যাসিড যেটি মুখের ভেতরে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে বাঁধা সৃষ্টি করে এবং ক্যাভিটি প্রতিরোধেও কাজ করে।
২. উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিশমিশের জুড়ি নেই। কারণ কিশমিশের পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্ত হতে দূর করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে থাকে। ৩. মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায় কিশমিশ। এতে রয়েছে বোরন যা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে থাকে। বোরন হলো মনোযোগ বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে কার্যকরী একটি উপাদান। মাত্র ১০০ গ্রাম কিশমিশ হতে প্রায় ২.২ মিলিগ্রাম বোরন পাওয়া যায়। ৪. চোখের সুরক্ষা করতে হলে প্রতিদিন কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তাছাড়া বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা সমাধান করে এই কিশমিশ। কিশমিশের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পলিফেলন ম্যাকুলার ডিগ্রেডেশন প্রতিরোধ করে চোখের সুরক্ষায় কাজ করে। ৫. কলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে হলে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার সবচাইতে বেশি কার্যকরী। মাত্র ১ টেবিল চামচ কিশমিশ আপনাকে প্রায় ১ গ্রাম পরিমাণ ফাইবার দিতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, কিশমিশের টারটারিক অ্যাসিড হজম সমস্যা দূর করে পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা করে থাকে। ৬. রক্তস্বল্পতার সমস্যা একটি বড় সমস্যা। আমরা সকলেই জানি দেহে আয়রণের অভাবে রক্তস্বল্পতার সমস্যা শুরু হয়। কিশমিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ। ১ কাপ কিশমিশে রয়েছে প্রায় ৬ মিলিগ্রাম পরিমাণ আয়রণ যা আমাদের দেহের প্রায় ১৭% আয়রণের ঘাটতি পূরণ করতে পারে। ৭. অ্যাসিডিটির সমস্যা সমাধানে কিশমিশের জুড়ি নেই। কিশমিশের ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম আমাদের পাকস্থলীতে যে অতিরিক্ত অ্যাসিড হয় বা অ্যাসিডিটির সমস্যা তৈরি করে তা দূর করতে সহায়তা করে কিশমিশ।
তরমুজের দানা পানিতে ফুটিয়ে মাত্র ২দিন খান, রাতারাতি পরিবর্তনে নিজেই বিস্মিত হবেনঃ- তরমুজের মধ্যে ৯০ ভাগই জল। তার মানে এই নয়, দাম দিয়ে তরমুজ কিনে পুরো টাকাটাই জলে গেল। হাইড্রেশানের সেরা উত্স হওয়ায়, আমাদের শরীরের কোষকে হাইড্রেটস করে। pH-এর ভারসাম্য রক্ষা করে। citrulline থাকায় ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের সমস্যাতেও তরমুজ দারুণ কাজ দেয়। যে কারণে একে প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা বলে। তরমুজের মতো এর দানাও ফেলনা নয়। তরমুজের দানা জলে ফুটিয়ে মাত্র ২দিন খান, রাতারাতি পরিবর্তনে নিজেই বিস্মিত হবেন। ফ্যাটি অ্যাসিড, বেসিক প্রোটিন ছাড়াও রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও আয়রনের মতো মিনারেলস। আবার ভিটামিন বি-এরও প্রায় পুরোটাই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। থিয়ামিন, নিয়াসিন এবং ফলিক অ্যাসিড। ক্যালরি রয়েছে মাত্র ৬০০ গ্রাম।মূত্রনালির রোগে তরমুজের দানা অত্যন্ত ভালো কাজ দেয়। কিডনির পাথরকে প্রসাবের সঙ্গে বাইরে বের করে দেয়।
যে ভাবে খাবেন:- তরমুজের দানাগুলো এক জায়গায় জড়ো করে, ভালো করে ধুয়ে দু-লিটার জলে ১৫ মিনিট ধরে । ফুটিয়ে চায়ের মতো তৈরি করে নিন। পরপর দু-দিন খেয়ে, তৃতীয় দিন বিশ্রাম দিন। আবার দু-দিন মিশ্রণটি পান করুন। এ ভাবে কয়েক সপ্তাহ খেলেই পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।
তরমুজের দানার আরও কিছু গুণাগুণ:- হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: তরমুজের দানায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম। এই ম্যাগনেসিয়াম হার্টকে সঠিক ভাবে চালনা করে। রক্তচাপকেও নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি বিপাকেও সাহায্য করে। হার্টের অসুখ ও হাইপার টেনশনের হাত থেকে মুক্তি পেতে চাইলে, তরমুজের দানার তুলনা নেই অকাল বার্ধক্য দূর করে: তরমুজের দানায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অকাল বার্ধক্য দূর করে। ত্বককে তাজা রাখে। ব্রণর সমস্যা দূর করে। যাঁদের শুষ্ক ত্বক, তাঁরাও এটি ময়শ্চারাইজিং ক্রিমের মতো ব্যবহার করতে পারেন। চুলের গোড়া মজবুত করে: তরমুজের দানায় উচ্চমাত্রায় প্রোটিন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। যা চুলের গোড়াকে মজবুত করে তোলে। জেল্লা আনে। ভিটামিন B6-এর ঘাটতি পূরণ করে: B6 হল ভিটামিন বি-এর মধ্যে সবথেকে জটিল। যার কাজ হল কার্বোহাইড্রেটকে শক্তিতে রূপান্তর করা। এর অভাবে বেরিবেরি অসুখ হয়। তরমুজের দানা এই ঘাটতি পূরণ করে
প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের জোগান দেয়: শরীরের জন্য অ্যামাইনো অ্যাসিড একটি জরুরি উপাদান। আর্জিনিন এবং লাইসিনের মতো অ্যামাইনো অ্যাসিডের অন্যতম উত্স হল তরমুজের দানা। লাইসিন ক্যালসিয়ামকে শুষে নিয়ে হাড়ের গঠন মজবুত করে। টিস্যুকে ঠিক রাখে। স্মৃতিবিভ্রমে: কিছুই মনে রাখতে পারছেন না, আজকাল সবই ভুলে যান। নিয়মিত তরমুজের দানা খাদ্যতালিকায় রেখে দিন। কয়েক দিনের মধ্যে ফারাক নিজেই বুঝবেন। স্মৃতিশক্তি চনমনে হয়ে উঠবে। পুরুষের ফার্টিলিটির ক্ষমতা বাড়ায়: তরমুজের দানায় রয়েছে লাইকোপেন। যা পুরুষের উর্বরতা শক্তি বাড়াতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। নখ ভঙ্গুর?: চিন্তা না-করে তরমুজের দানায় ভরসা রাখুন। দুর্বল নখ শক্তপোক্ত হবে।
Comments
Post a Comment