আসুন জেনে নেই বিয়ারের ১১ টি উপকারী দিক।

BEER

বিয়ার খুবই জনপ্রিয় একটি পানীয়। বেশিরভাগ বিয়ারে আলকোহলের পরিমাণ মদের তুলনায় খুবই সামান্য থাকে। বিয়ার বেশি না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে খেলে এ থেকে  অনেক উপকারতা পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই বিয়ারের ১১ টি উপকারী দিক।

শরীরে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ

বিয়ারে কোলেস্টেরল না থাকলেও এটি আমাদের শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরে সাধারণত দুই ধরণের কোলেস্টেরল থাকে। এগুলি হলো HDL এবং LDL। দুটির মধ্যে মধ্যে HDL হল উপকারি কোলেস্টেরল এবং LDL হল ক্ষতিকর কোলেস্টেরল। বিয়ার এই ক্ষতিকর LDL কোলেস্টেরল শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে।

রক্ত জমাট বাঁধা বন্ধে বিয়ার!
বিয়ার শরীরের মধ্যে প্রবাহবান রক্ত জমাট বাঁধা বন্ধ করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

কিডনি ভাল রাখে বিয়ার
জেনে অবাক হবেন যে বিয়ার কিডনি ভাল রাখতে সহায়তা করে! এক বোতল বিয়ার প্রতিদিন খেলে তা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।

হাড়কে শক্ত করে
বিয়ার শরীরের হাড়ের ভেতরে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদানের পরিমাণ বাড়িয়ে হাড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে হাড় শক্ত করতে ভূমিকা রাখে।

ভিটামিন বি-এর চাহিদা মেটায়
বিয়ারে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে। ওয়াইনের চেয়ে বিয়ারে ভিটামিন বি এর পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ!

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়!

বিয়ার হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়! বিজ্ঞানিরা মনে করেন, যারা বিয়ার খায় তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

ঘুমজনিত সমস্যার সমাধান

বিয়ার খেলে অনিদ্রার মতন সমস্যাও ভাল হয়। বিয়ারে ল্যাক্টফ্লেভিন এবং নিকোটিন এসিড থাকে, যা ঘুমের জন্যে সহায়ক।

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই!

বিয়ার তৈরির সময় হপস নামের এক ধরনের উদ্ভিদ ব্যবহার করা হয়। এই উদ্ভিদে শক্তিশালী আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী এনজাইমের বিরুদ্ধে কাজ করে। অর্থাৎ বিয়ার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে!

শরীরের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে

বিয়ার বেশি মাত্রায় খেলে যেমন ক্ষতির সম্ভাবনা থাকতে তেমনি পরিমাণ মত খেলে বেশ উপকারও হয়। বিয়ার পরিমাণ মত খেলে এটি শরীরের মেদ ঝরানোর পাশাপাশি পরিপাক প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায় বিয়ার

বিয়ার স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। স্মৃতি শক্তি বাড়াতে বিয়ার প্রায় ওষুধের মত কার্যকার। যারা নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে বিয়ার পান করেন তাদের আলঝাইমার বা ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি প্রায় থাকে না বললেই চলে।

বিশুদ্ধ পানির অনুপস্থিতিতে বিয়ার।

সবসময় বিশুদ্ধ পানি পাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। সেক্ষেত্রে পানির বিকল্প হিসেবে বিয়ার খাওয়া যেতে পারে। বিয়ারে যেসকল তরল পদার্থ থাকে তা সেদ্ধ করা থাকে। তাই বোতলজাতকৃত বা অপরিশোধিত পানি পানের চেয়ে বিয়ার পান করা অধিক নিরাপদ।

যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে সহায়তা করে

নিয়ম করে বিয়ার খেলে তা আপনাকে ভায়াগ্রা বা যৌন উত্তেজনা বর্ধক অন্যান্য ওষুধের কথা ভুলে যেতে বাধ্য করবে। বিয়ারের মধ্যে আয়রন থাকায় তা শরীরে প্রবেশ করে লাল রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে শরীরের অক্সিজেন সরবরাহ বেড়ে যায়, যা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।