আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়াতে চাই না: প্রধানমন্ত্রী


শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই। কিন্তু কেউ যদি আমাদের ওপর আক্রমণ করে, তবে সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রস্তুতি আমাদের সব সময়ই থাকতে হবে। যাতে আমরা আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দিতে পারি এবং আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পারি।’

আজ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেহেতু তারা (মিয়ানমার) আমাদের নিকটবর্তী প্রতিবেশী, তাই আমরা কখনো তাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব জড়াব না

মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
‘মানবিক কারণে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এটি বিশ্বের কাছে বিস্ময়কর ব্যাপার

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।’

সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে তাদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।


শেখ হাসিনা বলেন প্রাকৃতিক অথবা মানবিক বিপর্যয়ের মোকাবিলা করার ক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে , ‘আমরা যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারি। আমরা সেটি প্রমাণ করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি দিয়ে উন্নত করা হয়েছে।