অতিরিক্ত ঘামের মোকাবিলা কীভাবে করবেন?

অতিরিক্ত ঘামের মোকাবিলা কীভাবে করবেন?

১. প্রথমত, দিনে তিন থেকে চার বার স্নান করতে হবে। এর মাধ্যমে জীবাণু দূর হবে এবং ঘামে গন্ধও থাকবে না।
২. গরমে হালকা রঙের সুতির জামাকাপড় পরা দরকার।
৩. খাদ্যতালিকায় মরশুমি ফল এবং শাকসব্জি রাখুন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হজম ভালো হলে ঘাম কম হয়। শসা, তরমুজ, আঙুর, লেটুস বেশি করে খান।
৪. চা, কফি, কোল্ডড্রিঙ্কস এড়িয়ে চলুন। এইসব খাবার বা পানীয় খেলে বেশি ঘাম হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

৫. মশলাযুক্ত বা তেলে ভাজা খাবার নৈব নৈব চ। ফাস্টফুড, চকোলেট, ময়দার তৈরি খাবার বা পাউরুটি কম খেতে হবে। দেখা গিয়েছে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে ঘাম বেশি হয়। পাশাপাশি ঝাল বেশি খেলেও স্বাভাবিক কারণেই ঘাম বেশি হবে।
৬. বেশি করে জলপান করতে হবে। বিশেষত, গরমকালে বেশি করে জলপান করুন। শরীর যত ঠান্ডা থাকবে, ঘাম হওয়ার আশঙ্কাও ততটাই কমবে।
৭. দৈনন্দিন জীবনের দুশ্চিন্তা যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা চাই। তাই নিয়মিত যোগব্যায়াম, মেডিটেশন করে স্ট্রেস কমান।
৮. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম হওয়া দরকরা। তাই রাতে ভালো করে ঘুমোতে হবে। সুস্থ থাকতে অতন্ত ৭ ঘণ্টা শান্তির ঘুম চাই-ই চাই।


কী কী চিকিৎসা আছে?

হাত এবং পায়ের তালু ঘেমে গেলে সাধারণত লোশান লাগাতে হয়  খাওয়ার ওষুধ খুব কম ক্ষেত্রেই ব্যবহার হয়। কারণ খাওয়ার ওষুধের অনেক পার্শপ্রতিক্রিয়া আছে  বটুলিনাম টক্সিন (বোটক্স) ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে  অয়ন্টোপরেসিস— এখানে ঘাম প্রতিরোধকারী ওষুধ সুচ ছাড়া কারেন্টের মাধ্যমে ঘর্মগ্রন্থিতে প্রবেশ করাতে হয়।